কোর্ট অর্ডার থাকা সত্ত্বেও সরকার নিয়োগ না করাই মালদা প্রাইমারী ২০০৯-১০ এর চাকুরীপ্রার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য আমরণ অনশন শুরু করেছে। মালদা জেলা শাসকের দপ্তরের সামনে চলছে অনশন। প্রায় ১০০জন পরীক্ষার্থী এই অনশন করছে। ২০০৯সালে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষক পদে বিজ্ঞপ্তি হয়। ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলার নিয়োগের পরীক্ষা ও নিয়োগ হয়ে গেলেও চারজেলার(মালদা,দুই২৪পরগণা,হাওড়া)নিয়োগ হয়েছিলো না। ২০১২ সালে ব্যাপক অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজ্য সরকার সেই পরীক্ষা বাতিল করে। কিছু পরীক্ষার্থীর মামলার জেরে ২০১৪ সালে হাওড়া জেলার চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা ও নিয়োগ করে। ২০১৪ সালে মালদা জেলায় পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ও ইন্টারভিউ শেষ হয়ে ১১/০৬/২০১৫ সালে। প্যানেলও পর্ষদে অনুমোদিত হয়। কিন্তু মালদা ও দুই পরগণার নিয়োগ এখনও হয়নি।
গত ০৭/০৯/২০১৭ তারিখ মহামান্য হাইকোর্ট এর বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জী সিঙ্গল বেঞ্চ ১৪ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করার রায় দান করেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও মালদা জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডু সেই রায় মানেনি। গত ২৫/০১/২০১৮ তারিখ বৃহস্পতিবার অরিজিৎ ব্যানার্জীর বেঞ্চে আদালত অবমাননার দায়ে পড়ে মালদা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আসিশ কুন্ডু হাইকোর্টের নির্দেশে পুরোনো যোগ্যতা-তালিকা অনুসারে সংসদকে ব্যবস্হা করতে বলে।হাইকোর্টের দেওয়া ১৪ দিনের সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি নিয়োগের ব্যাপারে।এমন অবস্হায় মালদা জেলা প্রাইমারী ২০০৯-১০ এর চাকুরীপ্রার্থীরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য আমরণ অনশনে বসছে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মালদা জেলা শাসক দপ্তরের সামনে। মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরে সময় এমন ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা প্রশাসন।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/YC9N4zviLtg